বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ইয়াং টাইগার্স জাতীয় স্কুল ক্রিকেট প্রতিযোগিতা ২০১৬-১৭ ক্রিকেটে ২০ জানুয়ারী শুক্রবার রাঙামাটি স্টেডিয়ামে রাঙামাটি লেকার্স স্কুল রানী দয়াময়ী স্কুলকে ১০ রানে পরাজিত করে ফাইনালের অাশা জাগিয়ে রাখলো।ম্যাচে টসে জিতে রাঙামাটি লেকার্স স্কুল প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।লেকার্স স্কুল নির্ধারিত ৩০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১২৮ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে।লেকার্সের নুরুল কাদের ১৯,আবু সুফিয়ান ১৬ ও সৌরভ ১৫ রান করে করেন।রানী দয়াময়ী স্কুলের রহমত ২ উইকেট লাভ করেন।
রানী দয়াময়ী স্কুল বিরতির পর ১২৯ রানের টার্গেটে নেমে ৩ উইকেটে ৭৪ রান করে ভালোই জবাব দিচ্ছিলো। কিন্তু রানী দয়াময়ী স্কুলের ওপেনার অারিফুল অাউট হওয়ার পর তাসের ঘরের মত ব্যাটিং লাইনঅাপ ভেঙ্গে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ২৭.৩ ওভারে ১১৮ রানে অলঅাউট হয়ে ১০ রানের পরাজয় বরন করে অারিফ ৩৩ রান করেন লেকার্সের রুপায়ন ৩,নজরুল কাদের ৩ ও নুরুল কাদের ২ উইকেট করে লাভ করেন।
অাগামীকাল লেকার্স মুজাদ্দেদ অাল ফেসানীর সাথে জয়ী হলে ফাইনালে উঠার সম্ভাবনা থাকবে।
Friday, January 20, 2017
আজ লেকার্স স্কুলের জয়ে জমে উঠলো স্কুল ক্রিকেট
Wednesday, January 11, 2017
পাহাড়ের ক্রিকেটার মুজাহিদ বাবু
খাগড়াছড়ি:
পাহাড়ের ক্রিকেট জগতে অনন্য নাম মুজাহিদ বাবু। যার নাম শুনলে ব্যাটসম্যানের হাটু কাপে, আবার বোলারদের তুলোধুনো দিতে যার ব্যাটে ঝড় উঠে। অথচ স্থানীয় প্রশাসন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার পূর্ববর্তী কর্মকর্তাগণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর উদাসীনতার কারনে এবং অদৃশ্য শক্তির ছোবলে পাহাড়ে নিভৃতে কাদছে মুজাহিদের ক্রিকেট প্রতিভা! স্থানীয় পর্যায়ে সময়োপযোগি উদ্যোগের অভাব ও জাতীয় টীমের হর্তাকর্তাদের নজরে না পড়ার কারনে মুজাহিদ বাবুর ন্যায় পাহাড়ের প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের স্বপ্ন, স্বপ্নই থেকে যাচ্ছে। পাহাড়ের ক্রিকেট প্রেমীদের ক্ষোভ পাহাড়ের ক্রিকেটার এমন বাঘের গর্জন ঢাকায় পৌঁছেনি। তবুও থেমে নেয় মুজাহিদ। কঠোর অনুশীলন, বিভাগীয় পর্যায়ের কৃতিত্ব থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র অদৃশ্য শক্তির ছোবলেই ক্রিকেটার মুজাহিদ পায়নি জাতীয় টীমের খেলার সুযোগ !
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় পর্যায়ে যেভাবে কৃতিত্ব অর্জন করেছে মুজাহিদ বাবু তেমনি পিছিয়ে নেয় বিভাগীয় পর্যায়েও। খাগড়াছড়ি জেলা দলে অনুর্ধ ১৮ খেলার সুযোগ পেয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দলে দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে খাগড়াছড়ি জেলার বিভাগীয় ক্রিকেটে অলংকিত করেছে এ ক্রিকেটার।২০০৮ সাল থেকে পাহাড়ের ক্রিকেট ও জেলা ক্রীড়ার সংস্থার একাধিক রেকর্ডও তার থলে। অথচ অদৃশ্য শক্তির কারনে অনুর্ধ ১৯ দলে খেলার আবেদন করার পরও অদৃশ্য শক্তির ছোবলে স্বপ্নের জাতীয় টীমে খেলার সুযোগ পায়নি এ ক্রিকেটার। জানা যায়, চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার লীগে এ ক্রিকেটার স্থানীয় ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষে ৫বছর চুক্তিতে খেলে। পাশাপাশি ২০১১ সালে ঢাকায় ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্রে ১ম বিভাগ লীগে খেলার সুযোগ পায়।
খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার একাধিক সূত্র জানায়, স্থানীয় লীগে পর পর সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হিসেবে কৃতিত্বসহ একাধিক কৃতিত্ব রয়েছে মুজাহিদ বাবুর। এদিকে, ক্রিকেটার হিসেবে পাহাড় থেকে জাতীয় টীমে সুযোগ পাওয়ার স্বপ্ন লালন করে আসা মুজাহিদ তার প্রতিভা ছড়িয়ে দিতে নিজ উদ্যোগে জেলায় ২টি কোচিং লেবেল শেষ করে “খাগড়াছড়ি ক্রিকেট একাডেমী” গড়ে তোলেছেন। এ একাডেমীতে সপ্তাহে ৩দিন কোচিং করানো হচ্ছে বিনামূল্যে। মুজাহিদ বাবু জানান, তার গঠিত একাডেমির ক্রিকেটাররা স্থানীয় লীগ, স্কুল পর্যায়ের ক্রিকেট লীগ ও জেলার বয়স ভিত্তিক টুর্ণামেন্টে কৃতিত্বের সাথে ক্রিকেট খেলছে। ভবিষ্যতে এই একাডেমির ক্রিকেটাররা জাতীয় টীমে প্রতিনিধিত্ব করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও জানান, পাহাড়ের ক্রিকেটের উন্নয়নেবর্তমান কমিটির সকলেই আন্তরিক। বিশেষ করে, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক জুয়েল চাকমা, পরিমল কর্মকার ও বৈরী মিত্র চাকমা। বর্তমান কমিটির আন্তরিকতার কারনে খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে ক্রিকেটে প্রান ফিরেছে এবং সপ্তাহে তিনদিন প্র্যাকটিস করার সুযোগ পাচ্ছে ক্রিকেটাররা।খোজ নিয়ে জানা গেছে, পাহাড়ের উদীয়মান ক্রিকেটার মুজাহিদ বাবু ক্রিকেটের পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতায় নিজেকে গড়ে তোলেছেন। অনার্স পাশ করে খাগড়াছড়ি পৌরসভায় কর্মরত রয়েছেন। স্থানীয় ক্রিকেট প্রেমীদের দাবী, জাতীয় টীমে খেলোয়ারদের ন্যায় পাহাড়ের মুজাহিদ বাবুরও প্রতিভা রয়েছে। পাহাড়ের আগামীর ক্রিকেটাররাও তার একাডেমীর মাধ্যমে কৃতিত্ব অর্জন করছে। স্থানীয় সাংসদ সহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের নজরে আসলে এ ক্রিকেটারের স্বপ্ন পূরণ হবে।
Saturday, January 7, 2017
শক্তিশালী ফেনীকে চ্যালেঞ্জে ফেলেও হারলো রাঙামাটি!
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ইয়াং টাইগার অনুর্ধ্ব ১৬ বয়স ভিত্তিক জাতীয় ক্রিকেট বিভাগীয় প্রতিযোগিতা ২০১৬-১৭ ক্রিকেটে ৭ জানুয়ারী শনিবার খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে রাঙামাটি জেলা অনুর্ধ্ব ১৬ ক্রিকেট দল শক্তিশালী ফেনী জেলা দলের কাছে মাত্র ২ উইকেটের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।ম্যাচে টসে জিতে রাঙামাটি জেলা দল প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।রাঙামাটির ব্যাটসম্যানরা ভালো শুরু করে।দলীয় অধিনায়ক এনামুল হক অাকাশে ৪০ ও অারিফুলের ২১ রানের উপর ভর করে ৪০ ওভারের ম্যাচে ৩৭.৪ ওভারে ১১৩ রানে অলঅাউট হয় রাঙামাটি।ফেনীর অানাম ৫,সারওয়ার ৩ ও মতিন ২ উইকেট লাভ করেন।
ফেনীর জেলা দল বিরতির পর ১১৪ রানের টার্গেটে নেমে ৭৩ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে।কিন্তু ৯ম উইকেট জুটি রাঙামাটি জয়ের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়।শেষ পর্যন্ত রাঙামাটির মিস ফিল্ডিংয়ের সুবিধা নিয়ে ৩২.৪ ওভারে জয়ের লক্ষ্য পোঁছে ২ উইকেটের জয় পায় ফেনী দল।ফেনীর সিয়াম ২১ ও কামরুল ২১ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পোঁছে দেন।রাঙামাটির অানন্দ ও জনি ২ টি করে উইকেট লাভ করেন।
রাঙামাটি জেলা দলের সাথে কোচ হিসেবে রয়েছেন মহিতোষ দেওয়ান ও সহকারী কোচ কাম ম্যানেজার নাছির উদ্দিন সোহেল।
Friday, December 30, 2016
রাঙামাটি স্টেডিয়ামে যাত্রা শুরু করলো কনফিডেন্স
প্রায় দুই বছর ধরে তবলছড়িতে রাঙামাটি কনফিডেন্স ক্রিকেট একাডেমী নিজেদের কর্মসূচী চালিয়ে অাজ ৩০ শে ডিসেম্বর রাঙামাটি স্টেডিয়ামে নিজেদের প্রশিক্ষন কর্মসূচী শুরু করলো।একাডেমী প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও প্রধান কোচ নাছির উদ্দিন সোহেল, সহকারী কোচ মোঃইলিয়াস লেথামের অান্তরিক প্রচেষ্টায় অবশেষে রাঙামাটি ক্ষুদে ক্রিকেটারদের জন্য একটি ভালো ও অাধুনিক প্রশিক্ষন সরঞ্জামসহ যুগোপযোগী ক্রিকেট একাডেমী গড়ে তোলে গত দুই বছর তবলছড়িতে নিজেদের কার্যক্রম চালাচ্ছিলো।২০১৪ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই একাডেমীর শিক্ষার্থীরা স্কুল ক্রিকেট ও বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটে জেলার পক্ষে খেলে সকলের সুনাম অর্জন করে চলেছে।পার্বত্য এলাকার ক্রিকেটকে অবহেলার জায়গা থেকে একটি ভালো অবস্থানে নিয়ে যেতে এ একাডেমীর মূল কাজ বলে জানানো হয়।
অাজ ৩ ঘটিকার সময় রাঙামাটি স্টেডিয়ামে উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি জেলা ক্রীড়া সংস্থার সহ-সভাপতি বাবু সুনিল কান্তি দে,জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক বরুন বিকাশ দেওয়ান,কোষাদক্ষ মনিরুল ইসলাম ও অভিলাষ ক্রিকেট ক্লাবের সভাপতি অাহম্মেদ হুমায়ন কবিরসহ একাডেমীর কর্মকর্তা শিক্ষার্থীরা।অতিথিবৃন্দ এ ধরনের উদ্দ্যেগকে সাধুবাদ জানান এবং তৃনমূল পর্যায়ে ক্ষুদে ক্রিকেটারদের খুঁজে এনে সঠিক প্রশিক্ষন দ্বারা জাতীয় পর্যায়ে ক্রিকেটার তৈরী করতে সকলের প্রতি অাহবান জানান।অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন একাডেমীর চেয়ারম্যান ও প্রধান কোচ নাছির উদ্দিন সোহেল।সহকারী দুই কোচ মোঃইলিয়াস লেথাম ও ইয়াসিন মিশু পরে শিক্ষার্থীদের অানুষ্ঠানিক প্রশিক্ষন করান।
Thursday, December 29, 2016
রাঙামাটির বিরুদ্ধে রেকর্ড ফেনী অনুর্ধ্ব ১৪ দলের!
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ইয়াং টাইগার অনুর্ধ্ব ১৪ বয়স ভিত্তিক জাতীয় ক্রিকেট বিভাগীয় প্রতিযোগিতা ২০১৬-১৭ ক্রিকেটে ২৯ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বান্দরবান স্টেডিয়ামে রাঙামাটি জেলা অনুর্ধ্ব ১৪ দল নিজেদের চতুর্থ ও শেষ ম্যাচে ৩৩৮ রানের রেকর্ড বড় ব্যবধানে ফেনীর কাছে অাবারও পরাজিত হয়েছে।বয়স ভিত্তিক ক্রিকেটের জুনিয়র লেবেলে ফেনীর এ রেকর্ডে বিস্মিত সকলে।রাঙামাটি সকালে টসে জিতে সবাইকে অবাক করে দিয়ে শক্তিশালী ফেনী দলকে ব্যাটিংয়ে পাঠায়।ফেনী ব্যাটিংয়ে নেমেই রাঙামাটি ক্ষুদে বোলারদের প্রথম থেকেই বাউন্ডারী ও ওভার বাউন্ডারীতে ছিন্ন বিচ্ছিন্ন করে ফেলে।ফেনী দলে ফপিকুল ও শাহরিয়ার জোড়া সেঞ্চুরী হাকান।ফপিকুল ১০৫ বলে ১৩৬ রান ও শাহরিয়ার ১১৩ বলে ১০৮ রান করেন।ফেনী জেলা দল শেষ পর্যন্ত নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৫ উইকেটে টুর্নামেন্ট রেকর্ড ৪১৬ রান করে।
রাঙামাটি জেলা রেকর্ড ৪১৭ রানের টার্গেটে নেমে ৩৩.২ ওভারে মাত্র ৭৮ রান করে অলআউট হয়ে যায়।ফলে রেকর্ড ৩৩৮ রানের বিশাল ব্যাবধানে পরাজয় বরন করে টুর্নামেন্ট থেকে ৪-০ ম্যাচে হেরে হতাশা দিয়ে টুর্নামেন্ট শেষ করে।রাঙামাটির শাহজাদা ৩৩ রান করেন।
রাঙামাটি এর অাগে রাঙামাটি চট্টগ্রামের কাছে ৮ উইকেটে, ফেনীর কাছে ৭ উইকেটে, চট্টগ্রামের কাছে অাবার ৫ উইকেটে পরাজিত হয়। রাঙামাটি জেলা দলের সাথে কোচ হিসেবে রয়েছেন মহিতোষ দেওয়ান ও ম্যানেজার মোঃ হান্নান।
Wednesday, December 28, 2016
টানা তিন ম্যাচ হেরে বিদায় নিলো রাঙামাটি অনুর্ধ্ব ১৪
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ইয়াং টাইগার অনুর্ধ্ব ১৪ বয়স ভিত্তিক জাতীয় ক্রিকেট বিভাগীয় প্রতিযোগিতা ২০১৬-১৭ ক্রিকেটে ২৮ ডিসেম্বর বুধবার বান্দরবান স্টেডিয়ামে তৃতীয় ম্যাচে রাঙামাটি জেলা অনুর্ধ্ব ১৪ ক্রিকেট দল ফিরতি ম্যাচে ৫ উইকেটের বড় ব্যবধানে চট্টগ্রামের কাছে অাবারও পরাজিত হয়েছে।ম্যাচে টসে জিতে চট্টগ্রাম জেলা দল রাঙামাটিকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায়।রাঙামাটি জেলা দল প্রথম থেকেই উইকেট হারাতে থাকে।রাঙামাটির ব্যাটসম্যানরা চট্টগ্রামের ইশরাক উলের বোলিংয়ে বিপর্যস্ত হয়।ইশরাক ৬ ওভার বল করে ১১ রানে ৩ উইকেট নেন। রাঙামাটির ব্যাটসম্যান শাহজাদা অাবিরের চেষ্টায় কোন রকমে অর্ধশত রান পার করে ৩০.৪ ওভারে মাত্র ৬৬ রানে অলআউট হয়ে যায়।শাহজাদা অাবির দলীয় সর্বোচ্চ ১৫ রান করেন।
চট্টগ্রাম জেলা দল বিরতির পর ৬৭ রানের টার্গেটে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫ ওভারে জয়ের লক্ষ্য পোঁছে যায়।চট্টগ্রামের ফয়সাল অপরাজিত ৩০ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পোঁছে দেন।রাঙামাটির রাশেদুল ৪ টি উইকেট লাভ করেন।
রাঙামাটি অাগামীকাল ফেনী জেলার মোকাবেলা করবেন।এর অাগে রাঙামাটি চট্টগ্রামের কাছে ৮ উইকেটে ও ফেনীর কাছে ৭ উইকেটে পরাজিত হয়। রাঙামাটি জেলা দলের সাথে কোচ হিসেবে রয়েছেন মহিতোষ দেওয়ান ও ম্যানেজার মোঃ হান্নান।
Monday, December 26, 2016
২য় ম্যাচে ৪৪ রানে অলঅাউট রাঙামাটি অনুর্ধ্ব ১৪ ক্রিকেট দল
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ইয়াং টাইগার অনুর্ধ্ব ১৪ বয়স ভিত্তিক জাতীয় ক্রিকেট বিভাগীয় প্রতিযোগিতা ২০১৬-১৭ ক্রিকেটে ২৬ ডিসেম্বর সোমবার বান্দরবান স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে রাঙামাটি জেলা অনুর্ধ্ব ১৪ ক্রিকেট দল ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে ফেনীর কাছে পরাজিত হয়েছে।ম্যাচে টসে জিতে রাঙামাটি জেলা দল প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।রাঙামাটি জেলা দল প্রথম থেকেই উইকেট হারাতে থাকে।রাঙামাটির ব্যাটসম্যানরা ফেনীর আসিবুল হক ও অাতিকুল ইসলামের বোলিং তোপে দিশেহারা হয়ে পড়ে।অাসিবুল ৮ ওভার বল করে ২৯ রানে ৪ উইকেট ও অাতিকুল ৫ ওভার বল করে ১০ রানে ৫ উইকেট লাভ করে রাঙামাটিকে বিপর্যস্ত করে দেয়। রাঙামাটির ব্যাটসম্যানদের কেউ দুই অংকের ঘরে পোঁছাতে পারেনি। শাহজাদা অাবির ৯ ও নাঈমুল ইসলাম তুর্য ৮ রান করে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ স্কোরার হন। রাঙামাটি মাত্র ১৫.৫ ওভারে ৪৪ রানে অলআউট হয়ে যায়।
ফেনী জেলা দল বিরতির পর সহজ লক্ষ্য ৪৫ রানের টার্গেটে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০.১ ওভারে জয়ের লক্ষ্য পোঁছে যায়।ফেনীর রফিকুল ১৬ ও অাতিকুল ১৭ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পোঁছে দেন।রাঙামাটির রাসেদুল ২ ও অাবির ১টি করে উইকেট লাভ করেন।
রাঙামাটি গতকাল প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রামের কাছে ৮ উইকেটে পরাজিত হয়।রাঙামাটি জেলা দলের সাথে কোচ হিসেবে রয়েছেন জেলা কোচ মহিতোষ দেওয়ান ও ম্যানেজার মোঃ হান্নান দীপ্ত।