২৫ মে শুক্রবার দুপুর ৩ ঘটিকায় ফিসারী ঘাট সংলগ্ন মাঠে রাঙামাটি ক্রিকের্টাস এসোসিয়েশন কর্তৃক দ্বিতীয় বারের মত "এলইডি টিভি কাপ" উন্মুক্ত টেপ টেনিস ক্রিকেট টুর্নামেন্টের ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রাঙামাটি সদর উপজেলা পরিষদের সম্মানিত চেয়ারম্যান অরুন কান্তি চাকমা,বিশেষ অতিথি ছিলেন প্যানেল মেয়র ও ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ জামাল উদ্দিন,প্রতিভা ক্রিকেট ক্লাবের সভাপতি অাবু তৈয়ব,সাধারন সম্পাদক পুলক বড়ুয়া,রাঙামাটি জেলা অাম্পায়ার্স এন্ড স্কোরার্স এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক ফরিদ উদ্দিন ছোটন,রাঙামাটি কনফিডেন্স ক্রিকেট একাডেমী উপদেষ্টা মন্ডলীর সদস্য মোঃএমরান মুন্সি,ক্রিকেট উপ-পরিষদের সদস্য নাসের খান,শিক্ষক দিদারুল অালম,জাহেদসহ বিভিন্ন ক্লাব ও ক্রীড়া সংগঠক।পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টুর্নামেন্ট কমিটির অাহবায়ক ও রাঙামাটি ক্রিকেট কোচ মোঃ নাছির উদ্দিন সোহেল।
প্রধান অতিথির বক্তব্য অরুন কান্তি চাকমা বলেন,মাদক রুখতে ও শারিরীক গঠন ঠিক রাখতে খেলাধুলার বিকল্প নেই।খেলাধুলার মাধ্যমে যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হয় তা সুশৃংখল সমাজ ব্যবস্থা ও মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে খুবই জরুরী।রাঙামাটি ক্রিকেটার্স এসোসিয়েশনের অাহবায়ক নাছির উদ্দিন সোহেলসহ যারা রাঙামাটিতে এ ধরনের নিয়মিত ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও ক্রিকেট প্রশিক্ষন করছে তাদেরকে উপজেলা চেয়ারম্যান অান্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।তিনি বিভিন্ন সরকারী-বেসরকারী প্রতিষ্ঠানকে এ ধরনের ভালো উদ্দ্যেগে সহযোগিতা করতে সকলের প্রতি অনুরোধ জানান।
ফাইনাল খেলায় শাহীন স্মৃতি সূর্যতরুনকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়।ফাইনাল খেলা শেষে পুরস্কার বিতরনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।চ্যাম্পিয়ন দল পৌরসভার পক্ষ থেকে এলইডি টিভি ও উপজেলা চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে তিন হাজার টাকা প্রাইজমানি পান।রানার্সঅাপ দল ট্রফি ও দুই হাজার টাকা প্রাইজমানি পান।এছাড়া সকল ম্যান অব দ্যা ম্যাচ,চ্যাম্পিয়ন,রানার্সঅাপসহ সকলকে ব্যাক্তিগত পুরস্কার ও সনদপত্র দেওয়া হয়।
টুর্নামেন্টে সেরা খেলোয়ার নির্বাচিত হয় জুয়েল দাশ,সেরা ব্যাটসম্যান ইলিয়াস লেথাম ও সেরা বোলার সালাউদ্দিন।টুর্নামেন্টে মোট ১২ টি দল অংশগ্রহন করেন।
Saturday, May 27, 2017
শাহীন স্মৃতি চ্যাম্পিয়ন এলইডি টিভি কাপে
Saturday, April 29, 2017
উদ্ভোধন হল এলইডি টিভি কাপ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট
২৯ এপ্রিল শনিবার সকাল ১০ ঘটিকায় ফিসারী ঘাট সংলগ্ন মাঠে রাঙামাটি ক্রিকের্টাস এসোসিয়েশন কর্তৃক দ্বিতীয় বারের মত "এলইডি টিভি কাপ" উন্মুক্ত টেপ টেনিস ক্রিকেট টুর্নামেন্টের শুভ উদ্ভোধন অনুষ্ঠিত হয়।
উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাননীয় মেয়র জনাব অাকবর হোসেন চৌধুরী,বিশেষ অতিথি ছিলেন প্যানেল মেয়র ও ৭ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ জামাল উদ্দিন,প্রতিভা ক্রিকেট ক্লাবের সভাপতি অাবু তৈয়ব,সাধারন সম্পাদক পুলক বড়ুয়া। উদ্ভোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন টুর্নামেন্ট কমিটির অাহবায়ক মোঃ নাছির উদ্দিন সোহেল।
প্রধান অতিথির বক্তব্য অাকবর হোসেন চৌধুরী বলেন,জঙ্গী,সন্ত্রাস ও মাদক রুখতে খেলেধুলার বিকল্প নেই।খেলাধুলার মাধ্যমে যে অান্তরিকতা ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক হয় তা সুশৃংখল সমাজ ব্যবস্থার জন্য খুবই জরুরী।রাঙামাটি ক্রিকেটার্স এসোসিয়েশনের অাহবায়ক নাছির উদ্দিন সোহেলসহ যারা রাঙামাটিতে এ ধরনের নিয়মিত ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ও ক্রিকেট প্রশিক্ষন করছে তাদেরকে মেয়র অান্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।রাঙামাটি পৌরসভাও রাঙামাটি ক্ষুদে ক্রীড়াবিদদের স্বল্প ও দীর্ঘমেয়াদী প্রশিক্ষন প্রদানের উদ্দ্যেগ নিবে বলে মেয়র জানান।
উদ্ভোধনী অনুষ্ঠান শেষে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচ কুমিল্লা রাইডার্স ও তারুন্যর মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়।কুমিল্লা রাইডার্স ১১ রানে জয়ী হয়।
Monday, April 24, 2017
রাঙামাটিতে হল বিকেএসপির প্রতিভা অন্বেষণ
সোমবার ২৪ এপ্রিল ২০১৭ ছিল বিকেএসপির ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণের পার্বত্য জেলা রাঙামাটি স্টেডিয়ামে প্রতিভা অন্বেষণের আসর বসেছিল।
সকাল থেকে জেলা ও উপজেলা থেকে ক্ষুদে খেলোয়াড়দের আগমন ঘটে। সবার চোখেমুখে ছিল বিকেএসপিতে প্রশিক্ষণ ক্যাম্পে সুযোগ পাবার দৃঢ় প্রত্যয়।অাগামী দিনে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্ন।অারো উপস্থিত ছিল রাঙামাটির ফুটবল,ক্রিকেট কোচ, অভিভাবক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার কর্মকর্তাবৃন্দ।সকলের চোঁখে নিজের সন্তান ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে দিনভর টেনশন।রাঙামাটি কনফিডেন্স ক্রিকেট একাডেমীর কোচ ও সাবেক জেলা ক্রিকেট দলের অধিনায়ক নাছির উদ্দিন সোহেল বলেন পার্বত্য রাঙামাটিতে মাঠ সংকট ও বিভিন্ন প্রতিবন্ধকতার পরও অামরা চাই কিছু খেলোয়ার জাতীয় পর্যায়ে যেন জেলার প্রতিনিধিত্ব করে জেলার সুনাম বৃদ্ধি করতে পারে সে চেষ্টায় অামরা অাছি।অামাদের স্বপ্ন এখন এসব ক্ষুদে ক্রীড়াবিদদের উপর।সকলে সহযোগিতা করলে রাঙামাটি থেকে বরুন দেওয়ান ও কিংশুক চাকমার মত ক্রিকেট,ফুটবলে অারো খেলোয়ার জাতীয় পর্যায়ে দিতে পারবো।
রাঙামাটি জেলায় মোট ১৭টি ইভেন্টে ১৭২ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়।সারা দেশ থেকে ১০০০ জনকে প্রাথমিকভাবে নির্বাচন করে প্রথমে এক মাসের প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। এক মাসের ক্যাম্প থেকে বাছাইকৃত ২০০ জনকে নিয়ে ৪ মাসের আরও ১টি ক্যাম্প পরিচালনা করা হবে। পরবর্তীতে ৪ মাসের প্রশিক্ষণ ক্যাম্প থেকে নির্বাচিত অধিকতর প্রতিভাবান খেলোয়াড়কে বিকেএসপি’র ভর্তিতে অগ্রাধীকার দেয়া হবে।
২০১৭ এর ভর্তি প্রক্রিয়ায় এ প্রকল্প থেকে মোট ভর্তিকৃত প্রশিক্ষণার্থীর শতকরা ৮০ ভাগেরও বেশি জনকে বিকেএসপি’র দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ কর্যক্রমে ভর্তি করা হয়।
উল্লেখ্য গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের ক্রীড়ার মান উন্নয়নের লক্ষে বিকেএসপি কর্তৃক বাস্তবায়নযোগ্য প্রকল্প “তৃণমূল পর্যায়ে ক্রীড়া প্রতিভা অন্বেষণ ও নিবিড় প্রশিক্ষণ কর্যক্রম ২০১৭’’ এর জেলা পর্যায়ের প্রাথমিক বাছাই পরীক্ষা চলছে। আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত নির্দিষ্ট দিনে অবশিষ্ট জেলা সমূহে প্রতিভা অন্বেষণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।
Friday, February 17, 2017
রাঙামাটি কনফিডেন্স ক্রিকেট একাডেমীতে ভর্তি চলছে
রোজ বিকেলে পাড়ার মাঠে ক্রিকেট খেলে অনিক। পড়াশোনা করে লেকার্স স্কুলে। ছোট বলে বড়দের সঙ্গে খেলার সুযোগ মেলে না। কিন্তু ক্রিকেটই তার ধ্যান-জ্ঞান। বড় হয়ে সাকিব হওয়ার স্বপ্ন ওর। স্বপ্নের পথটা বন্ধুর হলেও চেষ্টা করলেই পাড়ি দেওয়া সম্ভব। কিভাবে? ক্রিকেট খেলার নিয়ম-কানুন আয়ত্ত করতে হবে। নিয়মিত চর্চা করতে হবে। দেশের বেশকটি ক্রীড়া প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান আছে। দেশের সবচেয়ে বড় ক্রীড়া প্রতিষ্ঠান বিকেএসপি। প্রতিবছর এখান থেকে বেরোচ্ছে প্রশিক্ষিত ক্রিকেটার। তাদের কেউ খেলে জাতীয় লীগে, কেউ ক্লাবে। অনেকেই জাতীয় দলে। অনিকের মতো যারা ক্রিকেটার হওয়ার স্বপ্ন দেখো, তারা বিকেএসপি কিংবা অন্যান্য ক্রিকেট একাডেমিতে ভর্তি হতে পারো। বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান কিন্তু উঠে এসেছেন বিকেএসপি থেকে।
রাঙামাটি কনফিডেন্স ক্রিকেট একাডেমী ভর্তি হতে হলে যা যা লাগবেঃ
রাঙামাটি কনফিডেন্স ক্রিকেট একাডেমীতে বছরে একবার নয়, সাধারণত সারা বছর জুড়েই পর শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। অনূর্ধ্ব-১২-১৮ বয়সের ক্রিকেটাররা এখানে প্রশিক্ষণের সুযোগ পায়। একাডেমিটি পরিচালনা করেন রাঙামাটি জেলা ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের লেভেল ওয়ান কোচ মোঃ নাছির উদ্দিন সোহেল।সহকারী কোচ হিসেবে অাছেন রাঙামাটি জেলা দলের খেলোয়ার ও চট্টগ্রাম লীগ,ঢাকা লীগ খেলা মোঃ ইলিয়াছ লেথাম ও রাঙামাটি জেলা দলের সাবেক ক্রিকেটার ইয়াছিন মিশু।
**যোগাযোগ করুনঃ
নাছির উদ্দিন সোহেল-০১৭৩৪০৩৯৮১৯,
লেথাম-০১৭৮৭১৩৮৮৬৫,
মিশু-০১৮১১৯৬৬২২৮
Thursday, January 26, 2017
এই লেখাটি ছোটদের জন্য
বড়রা এই লেখাটি পড়তে পারবেন না তা নয়; কিন্তু আমার ধারণা, বড় মানুষরা—যাঁদের ছেলেমেয়েরা স্কুল-কলেজে পড়ে—তাঁরা এই লেখাটি পড়ে একটু বিরক্ত হতে পারেন! কিভাবে কিভাবে জানি আমাদের দেশের লেখাপড়াটা হয়ে গেছে পরীক্ষানির্ভর। এ দেশে এখন লেখাপড়ার সঙ্গে শেখার কোনো সম্পর্ক নেই, পরীক্ষায় নম্বর পাওয়ার বিশাল একটা সম্পর্ক। বাচ্চারা স্কুল-কলেজে কিছু শিখল কি না সেটা নিয়ে মা-বাবার কোনো মাথাব্যথা নেই, পরীক্ষায় ভালো নম্বর পেল কি না কিংবা জিপিএ ৫ পেল কি না, সেটা নিয়ে তাঁদের ঘুম নেই। পরীক্ষায় বেশি নম্বর পাওয়াটা এমন একটা জায়গায় পৌঁছে গেছে সে জন্য মা-বাবারা রাত জেগে প্রশ্ন ফাঁস হলো কি না, সেটা ফেসবুকে খোঁজাখুঁজি করতে থাকেন। কোথাও যদি পেয়ে যান, তাহলে তার সমাধান করিয়ে ছেলে-মেয়েদের পেছনে লেগে থাকেন সেটা মুখস্থ করানোর জন্য। পরীক্ষার হলে গিয়ে পরীক্ষার ঠিক আগে আগে বের হওয়া এমসিকিউ প্রশ্নগুলো নিজেদের স্মার্টফোনে নিয়ে এসে সেগুলো তাঁদের ছেলে-মেয়েদের শেখাতে থাকেন। এখানেই শেষ হয় না, এত কিছুর পরও যদি পরীক্ষার ফল ভালো না হয় তাদের এমন ভাষায় গালাগাল আর অপমান করেন যে বাচ্চাগুলো গলায় দড়ি দেওয়ার কথা চিন্তা করে। আমাদের দেশে কিভাবে কিভাবে জানি এ রকম একটা ‘অভিভাবক প্রজন্ম’ তৈরি হয়েছে, যারা সম্ভবত এ দেশের লেখাপড়ার জন্য সবচেয়ে বড় একটা বাধা! কাজেই যদি এ রকম কোনো একজন অভিভাবক এই লেখাটি পড়া শুরু করেন, তাহলে তাঁকে অনুরোধ, তিনি যেন শুধু শুধু আমার এই লেখাটি পড়ে সকালবেলায়ই তাঁর মেজাজটুকু খারাপ না করেন। তবে পড়া বন্ধ করার আগে সিঙ্গাপুরের একটা স্কুলের প্রিন্সিপালের অভিভাবকদের কাছে লেখা একটা চিঠি পড়ার জন্য অনুরোধ করছি। চিঠিটা বাংলায় অনুবাদ করলে হবে এ রকম :
প্রিয় অভিভাবকরা
আপনাদের ছেলে-মেয়েদের পরীক্ষা কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হবে। আমি জানি, আপনাদের ছেলে-মেয়েরা যেন পরীক্ষায় ভালো করে সে জন্য আপনারা নিশ্চয়ই খুব আশা করে আছেন।
কিন্তু একটা জিনিস মনে রাখবেন, ছাত্রদের ভেতরে যারা পরীক্ষা দিতে বসবে, তাদের মধ্যে নিশ্চয়ই একজন শিল্পী আছে, যার গণিত শেখার কোনো দরকার নেই। একজন নিশ্চয়ই ভবিষ্যৎ উদ্যোক্তা আছে, যার ইতিহাস কিংবা ইংরেজি সাহিত্যের প্রয়োজন নেই।
একজন সংগীতশিল্পী আছে, যে রসায়নে কত নম্বর পেয়েছে তাতে কিছু আসে-যায় না।
একজন খেলোয়াড় আছে, তার শারীরিক দক্ষতা পদার্থবিজ্ঞান থেকে বেশি জরুরি, উদাহরণ দেওয়ার জন্য স্কুলিংয়ের কথা বলতে পারি।
যদি আপনার ছেলে বা মেয়ে পরীক্ষায় খুব ভালো নম্বর পায়, সেটা হবে খুবই চমৎকার। কিন্তু যদি না পায়, তাহলে প্লিজ, তাদের নিজেদের ওপর বিশ্বাস কিংবা সম্মানটুকু কেড়ে নেবেন না।
তাদের বলবেন, এটা নিয়ে যেন মাথা না ঘামায়, এটা তো একটা পরীক্ষা ছাড়া আর কিছু নয়। তাদের জীবনে আরো অনেক বড় কিছুর জন্য প্রস্তুত করা হচ্ছে।
তাদের বলুন, পরীক্ষায় তারা যত নম্বরই পাক, আপনি সব সময় তাদের ভালোবাসেন এবং কখনোই পরীক্ষার নম্বর দিয়ে তাদের বিচার করবেন না!
প্লিজ, এই কাজটি করুন, যখন এটা করবেন দেখবেন আপনার সন্তান একদিন পৃথিবীটাকে জয় করবে! একটি পরীক্ষা কিংবা একটি পরীক্ষায় কম নম্বর কখনোই তাদের স্বপ্ন কিংবা মেধা কেড়ে নিতে পারবে না।
আরেকটি কথা, প্লিজ, মনে রাখবেন শুধু ডাক্তার আর ইঞ্জিনিয়াররাই এই পৃথিবীর একমাত্র সুখী মানুষ নয়।
অনেক শুভেচ্ছার সঙ্গে
প্রিন্সিপাল
(চিঠিটাতে স্কুলিং নামে একটা ছেলের কথা বলা হয়েছে, এই বাচ্চা ছেলেটি অলিম্পিকে সাঁতারে সোনার মেডেল পেয়েছিল!)
সিঙ্গাপুরের স্কুলের এই প্রিন্সিপালের চিঠিটা আসলে শুধু তাঁর দেশের ছাত্রছাত্রীদের অভিভাবকদের জন্য নয়, আমাদের দেশের অভিভাবকদের জন্যও সত্যি। আমরা ভুলে যাই কিংবা হয়তো জানিই না যে একটি শিশুর অনেক রকম বুদ্ধিমত্তা থাকতে পারে এবং তার মধ্যে আমরা শুধু লেখাপড়ার বুদ্ধিমত্তাটাই যাচাই করি! এই লেখাপড়ার বুদ্ধিমত্তা ছাড়াও তার অন্য বুদ্ধিমত্তা দিয়েই যে একটা ছেলে বা মেয়ে অনেক বড় হতে পারে, সেটা আমাদের বুঝতে হবে। আমি অনেক দিন থেকে ছেলে-মেয়েদের পড়িয়ে আসছি, যতই দিন যাচ্ছে ততই আমার কাছে স্পষ্ট হচ্ছে পরীক্ষার ফলের সঙ্গে একজনের জীবনের সাফল্য-ব্যর্থতার কোনো সম্পর্ক নেই। আমার দেখা যে ছেলেটি বা মেয়েটি এই সমাজ, দেশ কিংবা পৃথিবীকে সবচেয়ে বেশি দিয়েছে সে পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি নম্বর পেয়েছে তা কিন্তু সত্যি নয়!
২.
আইনস্টাইন অনেক সুন্দর সুন্দর কথা বলেছেন, তাঁর কথাগুলোর মধ্যে যে কথাটা আমার সবচেয়ে প্রিয় সেটা হচ্ছে : ‘কল্পনা করার শক্তি জ্ঞান থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ!’ আইনস্টাইন পৃথিবীর সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী ছিলেন, জ্ঞানের গুরুত্বটুকু যদি কেউ বুঝতে পারে, সেটা বোঝার কথা তাঁর মতো একজন বিজ্ঞানীর। কিন্তু এই মানুষটিই কিন্তু জ্ঞান থেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন কল্পনাশক্তিকে। কারণটা কী?
সেটা বোঝার জন্য আমাদের রকেট সায়েন্টিস্ট হতে হবে না, একটুখানি চিন্তা করলেই বোঝা যায়। আমরা যেটাকে জ্ঞান বলি সেটা আমরা চেষ্টাচরিত্র করে পেয়ে যেতে পারি। যদি আমরা কিছু একটা না জানি, খুঁজে পেতে তার কিছু বই এনে সেগুলো ঘাঁটাঘাঁটি করে, জার্নাল পেপার পড়ে, অন্যদের সঙ্গে কথা বলে আমরা সেগুলো জেনে নিতে পারি। সোজা কথায় জ্ঞান অর্জন করতে পারি, সেটা অর্জন করতে চাই কি না কিংবা তার জন্য পরিশ্রম করতে রাজি আছি কি না, সেটা হচ্ছে একমাত্র প্রশ্ন।
কিন্তু যদি আমাদের কল্পনাশক্তি না থাকে, তাহলে কি আমরা চেষ্টাচরিত্র করে, খাটাখাটুনি করে সেই কল্পনাশক্তি অর্জন করতে পারব?
পারব না। শত মাথা কুটলেও আমরা কল্পনাশক্তি বাড়াতে পারব না। এটা নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ যখন একটি শিশু জন্ম নেয়, তার ভেতরে অন্য সব কিছুর সঙ্গে প্রচুর পরিমাণ কল্পনাশক্তি থাকে। আমাদের কাজ খুব সহজ, সেই কল্পনাশক্তিটুকুকে বাঁচিয়ে রাখতে হবে। আর কিছু নয়।
আমরা মোটেও সেটা করি না। শুধু যে করি না তা নয়, সেটাকে যত্ন করে নষ্ট করি। আমি লিখে দিতে পারি, এ দেশের অনেক অভিভাবক মনে করেন যে ভালো লেখাপড়া মানে হচ্ছে ভালো মুখস্থ করা! সবাই নিশ্চয়ই এটা লক্ষ করেছে যে অনেক ছেলে-মেয়েকে বই নিয়ে পড়তে বসার কথা বললে তারা চোখ বন্ধ করে মুখস্থ করা শুরু করে। আমি নিজের চোখে পত্রিকায় একটি স্কুলের বিজ্ঞাপন দেখেছি, যেখানে বড় বড় করে লেখা আছে, ‘এখানে মুখস্থ করানোর সুবন্দোবস্ত আছে!’ আমার মনে হয়, আমি যদি দেখতাম সেখানে লেখা আছে ‘এখানে মস্তানি শেখার সুবন্দোবস্ত আছে’, তাহলেও আমি কম আতঙ্কিত হতাম।
যে কেউ ইচ্ছা করলে আমার কথাটা পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। যে বাচ্চা স্কুলে যেতে শুরু করেনি, যাকে এখনো লেখাপড়া শুরু করানো হয়নি তাকে যেকোনো বিষয় নিয়ে প্রশ্ন করলে নিজের মতো করে উত্তর দিয়ে দেবে। একটু চেষ্টা করলেই তার ভেতর থেকে কাল্পনিক বিষয় বের করে নিয়ে আসা যাবে, ছোট একটা কাপড়ের পুতুলকে ‘বউ’ হিসেবে কল্পনা করে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কাটিয়ে দেবে। এক টুকরো লাঠিকে একটা ‘গাড়ি’ হিসেবে কল্পনা করে ছোট শিশু সারা বাড়ি ছুটে বেড়াবে। কিন্তু সেই শিশুটি যখন ভালো স্কুলে লেখাপড়া করবে, অভিভাবকরা উপদেশ দেবেন, প্রাইভেট টিউটর তাকে জটিল বিষয় শিখিয়ে দেবেন, কোচিং সেন্টার মডেল পরীক্ষার পর মডেল পরীক্ষা নিয়ে তাকে প্রস্তুত করে দেবে, তখন আমরা আবিষ্কার করব সে যে জিনিসগুলো শিখেছে তার বাইরের একটা প্রশ্নেরও উত্তর দিতে পারে না। বানিয়ে কিছু লিখতে পারে না, কল্পনা করতে পারে না। একটা আস্ত মানুষকে আমরা পুরোপুরি রোবট বানিয়ে ফেলি।
একটি শিশুর কল্পনাশক্তিকে বাঁচিয়ে রাখা অনেকটা তার মস্তিষ্ককে অক্ষত রাখার মতো। শিশুটি অনেক কিছু শিখেছে; কিন্তু মস্তিষ্কের সর্বনাশ করে ফেলেছে, তার কাছে আমরা খুব বেশি কিছু চাইতে পারব না। তার তুলনায় যে বিশেষ কিছু শিখেনি কিন্তু মস্তিষ্কটা পুরোপুরি সজীব আছে, সৃষ্টিশীল আছে, তার কাছে আমরা অনেক কিছু আশা করতে পারি।
মনে আছে, একবার কোনো এক জায়গায় বেড়াতে গেছি এবং একটি শিশু আমাকে দেখে ছুটে এসে আমার সঙ্গে রাজ্যের গল্প জুড়ে দিয়েছে। আমি এক ধরনের মুগ্ধ বিস্ময় নিয়ে আবিষ্কার করলাম, এইটুকুন একটি শিশু কিন্তু সে কত কিছু জানে এবং আরো জানার জন্য আমার কাছে তার কত রকম প্রশ্ন, আমি উত্তর দিয়ে শেষ করতে পারি না।
কিছুক্ষণ পর তার মায়ের সঙ্গে দেখা হলো। মা মুখ ভার করে আমার কাছে অভিযোগ করে বললেন, ‘আমার এই ছেলেটি মোটে লেখাপড়া করতে চায় না, দিনরাত গল্পের বই পড়ে। আপনি প্লিজ, তাকে একটু উপদেশ দিয়ে দেবেন যেন সে একটুখানি লেখাপড়া করে?’
আমি তার মাকে বললাম, ক্লাস এইটে ওঠার আগে কোনো লেখাপড়া নেই। সে এখন যা করছে তাকে সেটাই করতে দিন, কারণ সে একেবারে ঠিক জিনিসটা করছে।
তারপর ছেলেটিকে ফিসফিস করে বললাম, তুমি তোমার স্কুলে গিয়ে তোমার বন্ধুবান্ধবকে আমার কথা বলবে যে আমি বলেছি ক্লাস এইটের আগে কোনো লেখাপড়া নেই। এখন যা মন চায় তা-ই করো, গল্পের বই পড়ো, ছবি আঁকো, ক্রিকেট খেলো।
আমার কথা শুনে মা বেচারির হার্টফেল করার অবস্থা। আমি জানি, এই ছোট ছেলেটিকেও একসময় স্কুল, শিক্ষক, অভিভাবক, প্রাইভেট টিউটর আর কোচিং সেন্টার মিলে সাইজ করে ফেলবে। তার পরও আমি আশা করে থাকি এই ছোট বাচ্চাগুলো হয়তো তাদের অসম্ভব প্রাণশক্তি, স্বপ্ন আর কল্পনাশক্তিতে টিকে থাকবে। তাদের কেউ কেউ হয়তো রোবট নয়, সত্যিকার মানুষ হয়ে বড় হবে।
মস্তিষ্ক বাঁচিয়ে রাখা বা কল্পনা করার ক্ষমতা ধরে রাখার একটা খুব সহজ উপায় আছে, সেটা হচ্ছে বই পড়া। সারা পৃথিবীই এখন খুব দুঃসময়ের ভেতর দিয়ে যাচ্ছে, ইন্টারনেট-ফেসবুক এসব প্রযুক্তির কারণে আমাদের শিশুরা বই পড়ার জগৎ থেকে সরে আসতে শুরু করেছে। আগে পৃথিবীর সব শিশু মাথা গুঁজে বই পড়ত, তাদের চোখের সামনে থাকত ছোট একটি বই; কিন্তু তাদের মাথার ভেতরে উন্মুক্ত হতো কল্পনার বিশাল একটা জগৎ! এখন এই শিশুদের চোখের সামনে থাকে কম্পিউটার কিংবা ট্যাবের স্ক্রিন, সেখানে তারা দেখে ঝকঝকে ছবি কিংবা ভিডিও কিংবা চোখ ধাঁধানো গ্রাফিকসের কম্পিউটার গেম। তাদের মাথার ভেতরেও থাকে সেই একই ছবি, একই ভিডিও কিংবা একই গ্রাফিকস, কল্পনার বিশাল একটা জগৎ আর উন্মুক্ত হয় না। কী দুঃখের একটি ব্যাপার!
আমি জানি, আজ হোক, কাল হোক, পৃথিবীর সব বড় জ্ঞানী-গুণী মানুষ বলবেন, ছোট শিশুদের ইন্টারনেট-কম্পিউটার গেম আর ফেসবুকের জগতে পুরোপুরি ছেড়ে দেওয়ার কাজটা একেবারে ঠিক হয়নি, তাদের আরো অনেক বেশি বই পড়তে দেওয়া উচিত ছিল!
বইমেলা আসছে। আমি সব অভিভাবককে বলব, শিশুর হাত ধরে তাকে বইমেলায় নিয়ে আসুন, তাকে কয়েকটি বই কিনে দিন। একটি ছোট শিশুকে যদি একটিবার বই পড়ার অভ্যাস করিয়ে দিতে পারেন, তাহলে আপনি সারা জীবনের জন্য নিশ্চিত হয়ে যাবেন।
ছেলে-মেয়ে মানুষ করার এত সহজ উপায় থাকতে আমরা কেন তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুর্ভাবনা করি?
(মুহম্মদ জাফর ইকবাল)
Friday, January 20, 2017
আজ লেকার্স স্কুলের জয়ে জমে উঠলো স্কুল ক্রিকেট
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ইয়াং টাইগার্স জাতীয় স্কুল ক্রিকেট প্রতিযোগিতা ২০১৬-১৭ ক্রিকেটে ২০ জানুয়ারী শুক্রবার রাঙামাটি স্টেডিয়ামে রাঙামাটি লেকার্স স্কুল রানী দয়াময়ী স্কুলকে ১০ রানে পরাজিত করে ফাইনালের অাশা জাগিয়ে রাখলো।ম্যাচে টসে জিতে রাঙামাটি লেকার্স স্কুল প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।লেকার্স স্কুল নির্ধারিত ৩০ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ১২৮ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়ে।লেকার্সের নুরুল কাদের ১৯,আবু সুফিয়ান ১৬ ও সৌরভ ১৫ রান করে করেন।রানী দয়াময়ী স্কুলের রহমত ২ উইকেট লাভ করেন।
রানী দয়াময়ী স্কুল বিরতির পর ১২৯ রানের টার্গেটে নেমে ৩ উইকেটে ৭৪ রান করে ভালোই জবাব দিচ্ছিলো। কিন্তু রানী দয়াময়ী স্কুলের ওপেনার অারিফুল অাউট হওয়ার পর তাসের ঘরের মত ব্যাটিং লাইনঅাপ ভেঙ্গে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ২৭.৩ ওভারে ১১৮ রানে অলঅাউট হয়ে ১০ রানের পরাজয় বরন করে অারিফ ৩৩ রান করেন লেকার্সের রুপায়ন ৩,নজরুল কাদের ৩ ও নুরুল কাদের ২ উইকেট করে লাভ করেন।
অাগামীকাল লেকার্স মুজাদ্দেদ অাল ফেসানীর সাথে জয়ী হলে ফাইনালে উঠার সম্ভাবনা থাকবে।
Wednesday, January 11, 2017
পাহাড়ের ক্রিকেটার মুজাহিদ বাবু
খাগড়াছড়ি:
পাহাড়ের ক্রিকেট জগতে অনন্য নাম মুজাহিদ বাবু। যার নাম শুনলে ব্যাটসম্যানের হাটু কাপে, আবার বোলারদের তুলোধুনো দিতে যার ব্যাটে ঝড় উঠে। অথচ স্থানীয় প্রশাসন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার পূর্ববর্তী কর্মকর্তাগণসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষগুলোর উদাসীনতার কারনে এবং অদৃশ্য শক্তির ছোবলে পাহাড়ে নিভৃতে কাদছে মুজাহিদের ক্রিকেট প্রতিভা! স্থানীয় পর্যায়ে সময়োপযোগি উদ্যোগের অভাব ও জাতীয় টীমের হর্তাকর্তাদের নজরে না পড়ার কারনে মুজাহিদ বাবুর ন্যায় পাহাড়ের প্রতিভাবান ক্রিকেটারদের স্বপ্ন, স্বপ্নই থেকে যাচ্ছে। পাহাড়ের ক্রিকেট প্রেমীদের ক্ষোভ পাহাড়ের ক্রিকেটার এমন বাঘের গর্জন ঢাকায় পৌঁছেনি। তবুও থেমে নেয় মুজাহিদ। কঠোর অনুশীলন, বিভাগীয় পর্যায়ের কৃতিত্ব থাকা সত্ত্বেও শুধুমাত্র অদৃশ্য শক্তির ছোবলেই ক্রিকেটার মুজাহিদ পায়নি জাতীয় টীমের খেলার সুযোগ !
তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়, স্থানীয় পর্যায়ে যেভাবে কৃতিত্ব অর্জন করেছে মুজাহিদ বাবু তেমনি পিছিয়ে নেয় বিভাগীয় পর্যায়েও। খাগড়াছড়ি জেলা দলে অনুর্ধ ১৮ খেলার সুযোগ পেয়ে চট্টগ্রাম বিভাগীয় দলে দুই ম্যাচে ১১ উইকেট নিয়ে খাগড়াছড়ি জেলার বিভাগীয় ক্রিকেটে অলংকিত করেছে এ ক্রিকেটার।২০০৮ সাল থেকে পাহাড়ের ক্রিকেট ও জেলা ক্রীড়ার সংস্থার একাধিক রেকর্ডও তার থলে। অথচ অদৃশ্য শক্তির কারনে অনুর্ধ ১৯ দলে খেলার আবেদন করার পরও অদৃশ্য শক্তির ছোবলে স্বপ্নের জাতীয় টীমে খেলার সুযোগ পায়নি এ ক্রিকেটার। জানা যায়, চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার লীগে এ ক্রিকেটার স্থানীয় ফ্রেন্ডস ক্লাবের পক্ষে ৫বছর চুক্তিতে খেলে। পাশাপাশি ২০১১ সালে ঢাকায় ইন্দিরা রোড ক্রীড়া চক্রে ১ম বিভাগ লীগে খেলার সুযোগ পায়।
খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া সংস্থার একাধিক সূত্র জানায়, স্থানীয় লীগে পর পর সর্বোচ্চ রান সংগ্রহকারী হিসেবে কৃতিত্বসহ একাধিক কৃতিত্ব রয়েছে মুজাহিদ বাবুর। এদিকে, ক্রিকেটার হিসেবে পাহাড় থেকে জাতীয় টীমে সুযোগ পাওয়ার স্বপ্ন লালন করে আসা মুজাহিদ তার প্রতিভা ছড়িয়ে দিতে নিজ উদ্যোগে জেলায় ২টি কোচিং লেবেল শেষ করে “খাগড়াছড়ি ক্রিকেট একাডেমী” গড়ে তোলেছেন। এ একাডেমীতে সপ্তাহে ৩দিন কোচিং করানো হচ্ছে বিনামূল্যে। মুজাহিদ বাবু জানান, তার গঠিত একাডেমির ক্রিকেটাররা স্থানীয় লীগ, স্কুল পর্যায়ের ক্রিকেট লীগ ও জেলার বয়স ভিত্তিক টুর্ণামেন্টে কৃতিত্বের সাথে ক্রিকেট খেলছে। ভবিষ্যতে এই একাডেমির ক্রিকেটাররা জাতীয় টীমে প্রতিনিধিত্ব করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তিনি আরও জানান, পাহাড়ের ক্রিকেটের উন্নয়নেবর্তমান কমিটির সকলেই আন্তরিক। বিশেষ করে, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারন সম্পাদক জুয়েল চাকমা, পরিমল কর্মকার ও বৈরী মিত্র চাকমা। বর্তমান কমিটির আন্তরিকতার কারনে খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে ক্রিকেটে প্রান ফিরেছে এবং সপ্তাহে তিনদিন প্র্যাকটিস করার সুযোগ পাচ্ছে ক্রিকেটাররা।খোজ নিয়ে জানা গেছে, পাহাড়ের উদীয়মান ক্রিকেটার মুজাহিদ বাবু ক্রিকেটের পাশাপাশি শিক্ষাগত যোগ্যতায় নিজেকে গড়ে তোলেছেন। অনার্স পাশ করে খাগড়াছড়ি পৌরসভায় কর্মরত রয়েছেন। স্থানীয় ক্রিকেট প্রেমীদের দাবী, জাতীয় টীমে খেলোয়ারদের ন্যায় পাহাড়ের মুজাহিদ বাবুরও প্রতিভা রয়েছে। পাহাড়ের আগামীর ক্রিকেটাররাও তার একাডেমীর মাধ্যমে কৃতিত্ব অর্জন করছে। স্থানীয় সাংসদ সহ জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের নজরে আসলে এ ক্রিকেটারের স্বপ্ন পূরণ হবে।