বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ইয়াং টাইগার অনুর্ধ্ব ১৪ বয়স ভিত্তিক জাতীয় ক্রিকেট বিভাগীয় প্রতিযোগিতা ২০১৬-১৭ ক্রিকেটে ২৮ ডিসেম্বর বুধবার বান্দরবান স্টেডিয়ামে তৃতীয় ম্যাচে রাঙামাটি জেলা অনুর্ধ্ব ১৪ ক্রিকেট দল ফিরতি ম্যাচে ৫ উইকেটের বড় ব্যবধানে চট্টগ্রামের কাছে অাবারও পরাজিত হয়েছে।ম্যাচে টসে জিতে চট্টগ্রাম জেলা দল রাঙামাটিকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠায়।রাঙামাটি জেলা দল প্রথম থেকেই উইকেট হারাতে থাকে।রাঙামাটির ব্যাটসম্যানরা চট্টগ্রামের ইশরাক উলের বোলিংয়ে বিপর্যস্ত হয়।ইশরাক ৬ ওভার বল করে ১১ রানে ৩ উইকেট নেন। রাঙামাটির ব্যাটসম্যান শাহজাদা অাবিরের চেষ্টায় কোন রকমে অর্ধশত রান পার করে ৩০.৪ ওভারে মাত্র ৬৬ রানে অলআউট হয়ে যায়।শাহজাদা অাবির দলীয় সর্বোচ্চ ১৫ রান করেন।
চট্টগ্রাম জেলা দল বিরতির পর ৬৭ রানের টার্গেটে নেমে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৫ ওভারে জয়ের লক্ষ্য পোঁছে যায়।চট্টগ্রামের ফয়সাল অপরাজিত ৩০ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পোঁছে দেন।রাঙামাটির রাশেদুল ৪ টি উইকেট লাভ করেন।
রাঙামাটি অাগামীকাল ফেনী জেলার মোকাবেলা করবেন।এর অাগে রাঙামাটি চট্টগ্রামের কাছে ৮ উইকেটে ও ফেনীর কাছে ৭ উইকেটে পরাজিত হয়। রাঙামাটি জেলা দলের সাথে কোচ হিসেবে রয়েছেন মহিতোষ দেওয়ান ও ম্যানেজার মোঃ হান্নান।
Wednesday, December 28, 2016
টানা তিন ম্যাচ হেরে বিদায় নিলো রাঙামাটি অনুর্ধ্ব ১৪
Monday, December 26, 2016
২য় ম্যাচে ৪৪ রানে অলঅাউট রাঙামাটি অনুর্ধ্ব ১৪ ক্রিকেট দল
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ইয়াং টাইগার অনুর্ধ্ব ১৪ বয়স ভিত্তিক জাতীয় ক্রিকেট বিভাগীয় প্রতিযোগিতা ২০১৬-১৭ ক্রিকেটে ২৬ ডিসেম্বর সোমবার বান্দরবান স্টেডিয়ামে দ্বিতীয় ম্যাচে রাঙামাটি জেলা অনুর্ধ্ব ১৪ ক্রিকেট দল ৭ উইকেটের বড় ব্যবধানে ফেনীর কাছে পরাজিত হয়েছে।ম্যাচে টসে জিতে রাঙামাটি জেলা দল প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।রাঙামাটি জেলা দল প্রথম থেকেই উইকেট হারাতে থাকে।রাঙামাটির ব্যাটসম্যানরা ফেনীর আসিবুল হক ও অাতিকুল ইসলামের বোলিং তোপে দিশেহারা হয়ে পড়ে।অাসিবুল ৮ ওভার বল করে ২৯ রানে ৪ উইকেট ও অাতিকুল ৫ ওভার বল করে ১০ রানে ৫ উইকেট লাভ করে রাঙামাটিকে বিপর্যস্ত করে দেয়। রাঙামাটির ব্যাটসম্যানদের কেউ দুই অংকের ঘরে পোঁছাতে পারেনি। শাহজাদা অাবির ৯ ও নাঈমুল ইসলাম তুর্য ৮ রান করে দলের পক্ষে সর্বোচ্চ স্কোরার হন। রাঙামাটি মাত্র ১৫.৫ ওভারে ৪৪ রানে অলআউট হয়ে যায়।
ফেনী জেলা দল বিরতির পর সহজ লক্ষ্য ৪৫ রানের টার্গেটে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে ১০.১ ওভারে জয়ের লক্ষ্য পোঁছে যায়।ফেনীর রফিকুল ১৬ ও অাতিকুল ১৭ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পোঁছে দেন।রাঙামাটির রাসেদুল ২ ও অাবির ১টি করে উইকেট লাভ করেন।
রাঙামাটি গতকাল প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রামের কাছে ৮ উইকেটে পরাজিত হয়।রাঙামাটি জেলা দলের সাথে কোচ হিসেবে রয়েছেন জেলা কোচ মহিতোষ দেওয়ান ও ম্যানেজার মোঃ হান্নান দীপ্ত।
Sunday, December 25, 2016
প্রথম ম্যাচে হারলো রাঙামাটি অনুর্ধ্ব ১৪ ক্রিকেট দল
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ইয়াং টাইগার অনুর্ধ্ব ১৪ বয়স ভিত্তিক জাতীয় ক্রিকেট বিভাগীয় প্রতিযোগিতা ২০১৬-১৭ ক্রিকেটে ২৫ ডিসেম্বর রবিবার বান্দরবান স্টেডিয়ামে প্রথম ম্যাচে রাঙামাটি জেলা অনুর্ধ্ব ১৪ ক্রিকেট দল ৮ উইকেটের বড় ব্যবধানে চট্টগ্রামের কাছে পরাজিত হয়েছে।ম্যাচে টসে জিতে রাঙামাটি জেলা দল প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।রাঙামাটি জেলা দল প্রথম থেকেই উইকেট হারাতে থাকে।রাঙামাটির ব্যাটসম্যানরা চট্টগ্রামের শাহরিয়ার অালমের বোলিংয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে।শাহরিয়ার ৮ ওভার বল করে ২৫ রানে ৪ উইকেট নেন। রাঙামাটির ব্যাটসম্যান হাবিব ও রাকিবের চেষ্টায় কোন রকমে শতরান পার করে ৪৩.১ ওভারে ১০৮ রানে অলআউট হয়ে যায়।রাঙামাটির হাবিব ও রাকিব উভয়ে ২৫ রান করে করেন।
চট্টগ্রাম জেলা দল বিরতির পর ১০৯ রানের টার্গেটে নেমে ২ উইকেট হারিয়ে ২৬.৫ ওভারে জয়ের লক্ষ্য পোঁছে যায়।চট্টগ্রামের নাঈম ৪০ ও কাজী জোবায়ের ৪০ রান করে দলকে জয়ের বন্দরে পোঁছে দেন।রাঙামাটির এনামুল ও আবির ১টি করে উইকেট লাভ করেন।
রাঙামাটি অাগামীকাল ফেনী জেলার মোকাবেলা করবে।রাঙামাটি জেলা দলের সাথে কোচ হিসেবে রয়েছেন মহিতোষ দেওয়ান ও ম্যানেজার মোঃহান্নান।
Tuesday, December 6, 2016
ব্যাডমিন্টন খেলার নিয়ম-কানুন জেনে নিন
শীত এলেই আমাদের দেশে ব্যাডমিন্টন খেলার জনপ্রিয়তা বেড়ে যায়। যদিও অনেক আগে থেকেই এদেশে ব্যাডমিন্টন বহুল প্রচলিত খেলা হিসেবে সমধিক পরিচিত। শীতের তীব্রতার মাঝে হালকা গরমের আবেশ নিতে শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে প্রায় সব বয়সী মানুষেরাই এই খেলায় অংশ নেয়। বর্তমানে বিভিন্ন জায়গায় মেয়েরাও ব্যাডমিন্টন খেলায় অংশগ্রহণ করছে। সবাই এই খেলার সাথে পরিচিত হলেও এর মূল নিয়ম কানুন অনেকেরেই অজানা। খেলার নিয়ম কানুন না জানলে, খেলায় তেমন একটা মজা পাওয়া যায় না। তাই চলুন ব্যাডমিন্টন খেলার নিয়ম কানুন জেনে নেই।
ব্যাডমিন্টনের কোর্ট: ব্যাডমিন্টনের কোর্ট সমতল আয়তাকৃতির হয়ে থাকে। একক ও দ্বৈত উভয় ক্ষেত্রে যার দৈর্ঘ্য ১৩.৪ মিটার (৪৪ ফুট)। প্রস্থের মাপ বাড়ে দ্বৈতের ক্ষেত্রে। দ্বৈতের জন্য কোর্টের প্রস্থ ৬.১ মিটার (২০ ফুট), এককে ৫.১৮ মিটার (১৭ ফুট)। নেটের উচ্চতা ১.৫৫ মিটার (পাঁচ ফুট এক ইঞ্চি)।
র্যাকেট/ব্যাট : BWF(Badminton World Federation) কর্তৃক নির্ধারিত কিছু মাপ রয়েছে যা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। এই মাপ অনুযায়ী বিভিন্ন র্যাকেট প্রস্তুতকারি প্রতিষ্ঠান বণিজ্যিকভাবে র্যাকেট উৎপাদন করে থাকে।
একটি র্যাকেটের দৈর্ঘ্য সর্বাধিক ৬৮ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা, এবং প্রস্থ ২৩ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা। জাল বোনা মাথার দৈর্ঘ্য সর্বাধিক ২৮ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা এবং জাল বোনা মাথার প্রস্থ সর্বাধিক ২২ সেঃমিঃ চেয়ে বেশি হবেনা। তবে বাস্তব ক্ষেত্রে আধুনিক র্যাকেটসমূহের মাপ সর্বোচ্চ মাপের তুলনায় কিছুটা ছোট হয়।
শাটল (কর্ক): শাটলটির ওজন ৪.৭৪ গ্রামের কম অথবা ৫.৫০ গ্রামের বেশি হবে না। এর মধ্যে ১৪ থেকে ১৬টি পালক থাকবে। খেলোয়াড়: একক ম্যাচে উভয়পক্ষে ১ জন করে সর্বমোট ২ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে। দ্বৈত খেলায় উভয়পক্ষে ২ জন করে সর্বমোট ৪ জন খেলোয়াড় অংশগ্রহণ করে।
খেলার নিয়ম ও পয়েন্ট: একক ও দ্বৈত উভয় খেলায় সাধারণত ১৫ থেকে ২১ পয়েন্টে গেম হয়। উভয় খেলোয়াড় বা দল ২০-২০ পয়েন্ট অর্জন করলে সেক্ষেত্রে ২ পয়েন্টের ব্যবধানে এগিয়ে থেকে জয়লাভ করতে হবে, অর্থাৎ ২২-২০, ২৫-২৩ ইত্যাদি।
উভয় দলের পয়েন্ট সমান হওয়াকে ডিউস বলে। মনে রাখতে হবে, এভাবে সর্বোচ্চ ৩০ পয়েন্টের মধ্যে অবশ্যই গেম শেষ করতে হবে। তিনটি গেমের মধ্যে যে বা যে দল দুই খেলায় জিতবে, তারাই বিজয়ী হবে।
একক খেলার সময় সার্ভিসকারীর পয়েন্ট শূন্য বা জোড় সংখ্যা হলে খেলোয়াড় তাদের ডান দিকের কোর্ট থেকে সার্ভিস করবে এবং বেজোড় সংখ্যা হলে বাম দিকের কোর্ট থেকে সার্ভিস করবে। প্রতি পয়েন্টের পর খেলোয়াড়রা তাদের সার্ভিস বা রিসিভ কোর্ট বদল করবে।
দ্বৈত খেলার সময় প্রথম সার্ভিসের জন্য ডানদিকের খেলোয়াড় কোনাকুনি বিপক্ষের কোর্টে সার্ভিস করবে। যাকে সার্ভিস করা হবে কেবল সেই খেলোয়াড় সার্ভিস গ্রহণ করবে। কোনো খেলোয়াড় পরপর দুইবার সার্ভিস করতে পারবে না।
প্রথম গেমে বিজয়ী খেলোয়াড় দ্বিতীয় গেমে সার্ভিস শুরু করবে।সার্ভিসের সময় সার্ভারের দুই পা মাটি স্পর্শ করে থাকবে। সার্ভিস করার সময় শাটল নেটে লেগেও যদি ঠিক কোর্টে পড়ে তবে সার্ভিস ঠিক হয়েছে বলে ধরা হবে।
শাটল দাগ স্পর্শ করলেই শুদ্ধ হয়েছে বলে ধরা হবে। নেট অতিক্রম করে কেউ শাটলে আঘাত করতে পারবে না এবং খেলা চলাকালে কেউ র্যাকেট বা শরীরের কোনো অংশ দিয়ে নেট ও পোস্ট স্পর্শ করতে পারবে না।
বন্ধুরা তাহলে তো জেনে গেলেন, ব্যাডমিন্টন খেলার সব নিয়ম কানুন এবার তাহলে খেলার মজাটা একটু ভিন্ন ভাবে উপভোগ করার যাবে তাই না?
Thursday, November 3, 2016
বিপিএল কে কোন দলে
ঢাকা ডায়নামাইটস
সাকিব আল হাসান (আইকন), নাসির হোসেন, মোসাদ্দেক হোসেন, সানজামুল ইসলাম, আলাউদ্দিন বাবু, সোহরাওয়ার্দী শুভ, মেহেদী মারুফ, মোহাম্মদ শহীদ, ইরফান শুক্কুর, তানভীর হায়দার।
বিদেশি খেলোয়াড়: কুমার সাঙ্গাকারা, মাহেলা জয়াবর্ধনে, সেকুগে প্রসন্ন (শ্রীলঙ্কা), আন্দ্রে রাসেল, ডোয়াইন ব্রাভো, এভিন লুইস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), রবি বোপারা (ইংল্যান্ড), ওয়েইন পারনেল (দক্ষিণ আফ্রিকা), উসামা মির (পাকিস্তান)।
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ানস
মাশরাফি বিন মুর্তজা (আইকন), ইমরুল কায়েস, লিটন দাস, আল আমিন জু., নাজমুল হাসান শান্ত, নাহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, মোহাম্মদ শরীফ, নাবিল সামাদ, জসিমউদ্দীন, সৈকত আলী, আবদুল্লাহ আল মামুন।
বিদেশি খেলোয়াড়: সোহেল তানভীর, ইমাদ ওয়াসিম, আহমেদ শেহজাদ, আসহার জাইদি, খালিদ লতিফ, শাহজাইব হাসান (পাকিস্তান), নুয়ান কুলাসেকারা (শ্রীলঙ্কা), রশিদ খান (আফগানিস্তান), জেসন হোল্ডার, রোভম্যান পাওয়েল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।
চিটাগং ভাইকিংস
তামিম ইকবাল (আইকন), তাসকিন আহমেদ, এনামুল হক, আবদুর রাজ্জাক, শুভাশিস রায়, জহুরুল ইসলাম, নাজমুল হোসেন মিলন, জাকির হাসান, সাকলাইন সজীব, শহীদুল ইসলাম, ইয়াসির আলী, জুবায়ের হোসেন।
বিদেশি খেলোয়াড়: ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), ডোয়াইন স্মিথ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), শোয়েব মালিক, ইমরান খান জুনিয়র (পাকিস্তান), চতুরঙ্গা ডি সিলভা, জীবন মেন্ডিস (শ্রীলঙ্কা), মোহাম্মদ নবী (আফগানিস্তান), গ্রান্ট এলিয়ট (নিউজিল্যান্ড), টাইমাল মিলস (ইংল্যান্ড)।
খুলনা টাইটানস
মাহমুদউল্লাহ (আইকন), মোশাররফ রুবেল, শফিউল ইসলাম, শুভাগত হোম, আরিফুল হক, আবদুল মজিদ, অলক কাপালি, হাসানুজ্জামান, নাঈম ইসলাম জুনিয়র, নূর হোসেন সাদ্দাম, তাইবুর রহমান, আবদুল হালিম।
বিদেশি খেলোয়াড়: মোহাম্মদ আসগর, জুনাইদ খান (পাকিস্তান), বেনি হাওয়েল, রিকি ওয়েসেলস (ইংল্যান্ড), বেন লাফলিন (অস্ট্রেলিয়া), লেন্ডল সিমন্স, আন্দ্রে ফ্লেচার, নিকোলাস পুরান, কেভন কুপার (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)।
রাজশাহী কিংস
সাব্বির রহমান (আইকন), নুরুল হাসান, মেহেদী হাসান মিরাজ, মুমিনুল হক, ফরহাদ রেজা, নাজমুল ইসলাম, রকিবুল হাসান, আবুল হাসান, রনি তালুকদার, সালমান হোসেন, ইবাদত হোসেন ও দেলোয়ার হোসেন।
বিদেশি খেলোয়াড়: ড্যারেন স্যামি, কেসরিক উইলিয়ামস (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), মোহাম্মদ সামি, উমর আকমল (পাকিস্তান), মিলিন্ডা সিরিবর্ধনা, উপুল থারাঙ্গা
(শ্রীলঙ্কা), সামিত প্যাটেল (ইংল্যান্ড)।
বরিশাল বুলস
মুশফিকুর রহিম (আইকন), আল আমিন হোসেন, তাইজুল ইসলাম, শামসুর রহমান, আবু হায়দার, কামরুল ইসলাম, নাদিফ চৌধুরী, মেহেদী হাসান, মনির হোসেন, শাহরিয়ার নাফীস, ধীমান ঘোষ, ফজলে রাব্বী, শাহিন হোসেন।
বিদেশি খেলোয়াড়: থিসারা পেরেরা, দিলশান মুনাবীরা (শ্রীলঙ্কা), মোহাম্মদ নওয়াজ, রুম্মান রায়েস খান (পাকিস্তান), কার্লোস ব্রাফেট, রায়াদ এমরিত (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), জশুয়া কব (ইংল্যান্ড)।
রংপুর রাইডার্স
সৌম্য সরকার (আইকন), মোহাম্মদ মিঠুন, আরাফাত সানি, রুবেল হোসেন, সোহাগ গাজী, জিয়াউর রহমান, নাঈম ইসলাম, ইলিয়াস সানি, পিনাক ঘোষ, মুক্তার আলী, মেহরাব হোসেন জোসি, শাহবাজ চৌহান, জুপিটার ঘোষ।
বিদেশি খেলোয়াড়: শহীদ আফ্রিদি, শারজিল খান, বাবর আজম, নাসির জামশেদ (পাকিস্তান), মোহাম্মদ শেহজাদ (আফগানিস্তান), গিডরন পোপ (ওয়েস্ট ইন্ডিজ), রিচার্ড গ্লিসন (ইংল্যান্ড), দাসুন শানাকা, সচিত্র সেনানায়েকে, জিহান রুপাসিঙ্গে (শ্রীলঙ্কা)।
শেষ ম্যাচে ৫২ রানে অলঅাউট হয়ে হারলো রাঙামাটি অনুর্ধ্ব ১৮ ক্রিকেট দল
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ইয়াং টাইগার অনুর্ধ্ব ১৮ বয়স ভিত্তিক জাতীয় ক্রিকেট বিভাগীয় প্রতিযোগিতা ২০১৬-১৭ ক্রিকেটে ৩ নভেম্বর বৃহস্পতিবার কক্সবাজার শেখ কামাল স্টেডিয়ামে তৃতীয় ও শেষ ম্যাচে রাঙামাটি জেলা অনুর্ধ্ব ১৮ ক্রিকেট দল তাদের তৃতীয় ম্যাচে ৯ উইকেটের বিশাল ব্যাবধানে ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা অনুর্ধ্ব ১৮ ক্রিকেট দলের কাছে পরাজিত হয়েছে।
ম্যাচে টসে জিতে রাঙামাটি জেলা দল প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।রাঙামাটি জেলা দল প্রথম থেকেই উইকেট হারাতে থাকে।রাঙামাটির ব্যাটসম্যানরা ব্রাহ্মনবাড়িয়ার শামিম মিয়ার বাঁহাতি স্পিনে দিশেহারা হয়ে পড়ে।প্রতিরোধ তো দূরের কথা রাঙামাটি কত কম রানে অলঅাউট হবে তা নিয়ে রাঙামাটি টিম ম্যানেজম্যান্ট চিন্তিত হয়ে পড়ে।শেষ দিকে রাঙামাটির ব্যাটসম্যান রনির চেষ্টায় কোনরকমে অর্ধশত রান পার করে ২৪ ওভারে এই ভেন্যুর সর্বনিম্ন স্কোর ৫২ রানে অলঅাউট হয়ে পড়ে রাঙামাটি।রনি রাঙামাটির পক্ষে সর্বোচ্চ ২১ রান করে।ব্রাহ্মনবাড়িয়ার শামিম ৮ ওভারে ৫ মেডেনসহ ৮ রান খরচ করে ৭টি উইকেট লাভ করেন।
ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলা দল বিরতির পর ছোট রানের টার্গেটে নেমে ১ উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্য ৫৩ রানে মাত্র ৯.২ ওভারে পোঁছে যায়।ব্রাহ্মনবাড়িয়ার মাছুম ৩০ ও সজিব ১৩ রান করে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ের বন্দরে পোঁছে দেন।রাঙামাটির সারওয়ার একমাত্র উইকেটটি লাভ করেন।উল্লেখ্য রাঙামাটি প্রথম ম্যাচে কুমিল্লার কাছে ৫ উইকেটে ও দ্বিতীয় ম্যাচে চাঁদপরের কাছে ৯৭ রানে পরাজিত হয়েছিল।রাঙামাটি জেলা দলের সাথে কোচ হিসেবে রয়েছেন বিকেএসপি থেকে কোর্স করা বেলাল হোসেন সাকো ও ম্যানেজার পিকু।
Tuesday, November 1, 2016
২য় ম্যাচেও হারলো রাঙামাটি অনুর্ধ্ব ১৮ ক্রিকেট দল
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের আয়োজনে ইয়াং টাইগার অনুর্ধ্ব ১৮ বয়স ভিত্তিক জাতীয় ক্রিকেট বিভাগীয় প্রতিযোগিতা ২০১৬-১৭ ক্রিকেটে ১ নভেম্বর মঙলবার কক্সবাজার শেখ কামাল স্টেডিয়ামে রাঙ্গামাটি জেলা অনুর্ধ্ব ১৮ ক্রিকেট দল তাদের দ্বিতীয় ম্যাচে ৯৭ রানের বড় ব্যাবধানে চাঁদপুর জেলা অনুর্ধ্ব১৮ ক্রিকেট দলের কাছে পরাজিত হয়েছে।
ম্যাচে টসে জিতে চাঁদপুর জেলা দল ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।চাঁদপুর জেলা দল দলীয় ২০ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে।রাঙামাটি জেলা দলের নুরুল অালম ৩ উইকেট নিয়ে চাঁদপুর জেলাকে বিপদে ফেলে দেন।এরপর চাঁদপুর জেলা দল মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানদের ভালো ব্যাটিংয়ে ৪৯.৪ ওভারে ১৯৬ রানের ফাইটিং স্কোর করে অলআউট হয়ে যায়।চাঁদপুর জেলা দলের পক্ষে অামিনুল ৬১ ও রাজিবুল ৩৪ উল্লেখযোগ্য রান করেন।
রাঙামাটি জেলা দল বিরতির পর ১৯৭ রানের টার্গেটে নেমে চাঁদপুর জেলা দলের রবিউলের বোলিং তোপে পড়ে নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে। রবিউল ৫ উইকেট তুলে নিয়ে রাঙামাটিকে গুড়িয়ে দেন।মাত্র ৩৯.১ ওভারে সব উইকেট হারিয়ে ৯৯ রানে অলআউট হয়ে যায় রাঙামাটি।অতিরিক্ত থেকে রাঙামাটির সর্বোচ্চ ৩৩ রান অাসে।নুরুল অাজম ২২ ও নুরুল অালম ১২ রান করেন অার কেউ ডাবল ফিগারে রাঙামাটির পক্ষে রান করতে পারেননি।ফলে ৯৭ রানের বড় ব্যাবধানে রাঙামাটি টানা ২য় ম্যাচে পরাজয় বরন করে।অাগামী ৩ নভেম্বর রাঙামাটি ৩য় ম্যাচে বি.বাড়িয়ার সাথে মোকাবেলা করবে।রাঙামাটি জেলা দলের সাথে কোচ হিসেবে রয়েছেন বিকেএসপি থেকে কোর্স করা বেলাল হোসেন সাকো ও ম্যানেজার পিকু।